>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত প্রকাশ। |
📌 যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত প্রকাশ করেছে মার্কিন গণমাধ্যম এক্সিয়োস।
[ad1]
শর্তসমূহ:
১. দুইমাস তথা ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি আরও বাড়ানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।
২. হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর ইরান কোনো ধরনের শুল্ক আরোপ করবে না।
৩. ইরান প্রথমে সব সামুদ্রিক মাইন অপসারণ করবে এবং নিজেদের অবরোধ তুলে নেবে।
৪. ইরান শর্ত পূরণ করলে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে।
৫. ইরানের তেল শিল্পসংক্রান্ত কিছু নিষেধাজ্ঞায় ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
৬. ইরান অঙ্গীকার করবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে যাবে না।
৭. ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি পুরোপুরি স্থগিত করা এবং মজুত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হবে।
৮. যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবে।
৯. দুইমাস তথা ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরান ঘিরে অবস্থানরত কোনো সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করবে না।
১০. চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্র সেনা প্রত্যাহারের বিষয় বিবেচনা করবে।
১১. হিজবুল্লাহ ও ইজরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধ করার পরিকল্পনাও সমঝোতায় অন্তর্ভুক্ত আছে।
১২. হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহের চেষ্টা করলে ইসরায়েলকে আগাম সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
১৩. এই সামরিক পদক্ষেপের মধ্যে লেবাননে বিমান হামলা ও ড্রোন হামলাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
১৪. সমঝোতা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে বলা হয়েছে, “হিজবুল্লাহ শান্ত থাকলে ইসরায়েলও শান্ত থাকবে।”
সূত্র: Axios
[ad2]
মজার বিষয়
মার্কিন কর্মকর্তারা গোপনে ইরানকে বলেছে, ইরান যেনো ট্রাম্পের রাগ করে বলা বিভিন্ন মন্তব্য ও ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টগুলো এড়িয়ে যায়।
এগুলো নাকি চলমান আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের আসল অবস্থান না।
তাদের মতে, ট্রাম্পের এসব পোস্ট নাকি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনমতকে লক্ষ্য করে করা হয়, ইরানকে উদ্দেশ্য করে না। তাই ইরানের এগুলো গোনায় ধরা উচিত না।
সূত্র: ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে ইরানের গণমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি।
[ad3]