> রমজানের শেষ দশকে মুসল্লিশূন্য আল-আকসা মসজিদ, ৬৯ বছর পর ইতিকাফ বন্ধ - As-Sidq News
সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি এখানে দেখুন Follow Now!

রমজান

... ...
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
বাকি আছে
My Social Save Data, Connect Friends Login

রমজানের শেষ দশকে মুসল্লিশূন্য আল-আকসা মসজিদ, ৬৯ বছর পর ইতিকাফ বন্ধ

রমজানের শেষ দশকে মুসল্লিশূন্য আল-আকসা মসজিদ, ৬৯ বছর পর ইতিকাফ বন্ধ
Islamic dayeri
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

 

রমজানের শেষ দশকে মুসল্লিশূন্য আল-আকসা মসজিদ, ৬৯ বছর পর ইতিকাফ বন্ধ

পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশক সাধারণত ফিলিস্তিনিদের পদচারণায় মুখর থাকে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ। প্রতি বছর হাজার হাজার মুসল্লি এখানে ইতিকাফ ও ইবাদতে অংশ নিতে ছুটে আসেন। তবে এবারের দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। দীর্ঘ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো রমজানের শেষ দশকে মসজিদটি প্রায় মুসল্লিশূন্য হয়ে পড়েছে।
[ad1]
স্থানীয় সূত্র ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ পূর্ব জেরুজালেমে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি করে মসজিদে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। ফলে বহু মুসল্লি নামাজ আদায় বা ইতিকাফের জন্য মসজিদে প্রবেশ করতে পারছেন না।
[ad2]
জেরুজালেম-এর পুরনো শহর এলাকাতেও আগের মতো ভিড় দেখা যাচ্ছে না। সাধারণত ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত যেখানে মুসল্লিদের ভিড়ে সরগরম থাকে মসজিদের আঙিনা, সেখানে এখন অনেকটা নীরব পরিবেশ বিরাজ করছে।

আল-আকসায় দীর্ঘদিন ধরে ইমামতি করা এক প্রবীণ ইমাম নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গত কয়েক দশকে এমন পরিস্থিতি তিনি দেখেননি। যেখানে আগে হাজার হাজার মানুষ ইতিকাফ করতেন, সেখানে এখন খুব অল্পসংখ্যক মুসল্লি নিয়ে নামাজ আদায় করতে হচ্ছে।
[ad3]
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তাজনিত অজুহাত দেখিয়ে মসজিদ এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে ধর্মীয় কার্যক্রম যেমন ইতিকাফ, ধর্মীয় আলোচনা ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমও ব্যাহত হয়েছে।

জেরুজালেম গভর্নরেটের কর্মকর্তারা জানান, ১৯৬৭ সালে পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর থেকে কয়েকবার আল-আকসায় জুমার নামাজে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল। তবে এবারের বিধিনিষেধকে তারা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর বলে উল্লেখ করেছেন।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হলেও নির্দিষ্ট সময়ে কিছু অমুসলিম দর্শনার্থীর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এ পরিস্থিতিকে অনেক ফিলিস্তিনি ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন।

[Labelbox label="আন্তর্জাতিক" limit="3" type="grid"]

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.