> বাংলাভাষী মুসলমানদের রক্তে ভেজা স্বাধীন ভারতের কালো অধ্যায় - As-Sidq News
সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি এখানে দেখুন Follow Now!

রমজান

... ...
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
বাকি আছে
My Social Save Data, Connect Friends Login

বাংলাভাষী মুসলমানদের রক্তে ভেজা স্বাধীন ভারতের কালো অধ্যায়

বাংলাভাষী মুসলমানদের রক্তে ভেজা স্বাধীন ভারতের কালো অধ্যায়
Islamic dayeri
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

 

বাংলাভাষী মুসলমানদের রক্তে ভেজা স্বাধীন ভারতের কালো অধ্যায়
[ad1]

১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩। ভারতের স্বাধীনতা-পরবর্তী ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়গুলোর একটি সেই দিনে রচিত হয়েছিল আসামের মধ্যাঞ্চলে। নেলি ও আশপাশের এলাকায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাংলা ভাষাভাষী মুসলিম নৃশংসভাবে নিহত হন। বেসরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি বলে মনে করা হয়, যা ১৯৪৭ সালের পর ভারতে সবচেয়ে বড় গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত।

[Labelbox label="India" limit="3" type="grid"]
নেলি, বরবরি, আলিসিংহা, খুলাপাথর, বসুন্ধরী, বুগদুবা বীল, বুগদুবা হাবি, বরজোলা, বুটুনি, ইন্দুরমারি, মাটি পর্বত, মুলাধারি ও সিলভেটাসহ মোট ১৪টি গ্রামে একযোগে হামলা চালানো হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলা এই সহিংসতায় দা, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত জনতা একের পর এক গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় এবং নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। অনেক এলাকায় পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
[ad2]
এই গণহত্যার পটভূমিতে ছিল আসামে চলমান ‘বিদেশি-বিরোধী আন্দোলন’, যা অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (AASU) নেতৃত্ব দিচ্ছিল। আন্দোলনের মূল দাবি ছিল অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করে রাজ্য থেকে বহিষ্কার করা। তীব্র বিরোধিতা ও নির্বাচন বয়কটের আহ্বান সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আসাম বিধানসভা নির্বাচন আয়োজন করে।
বহু বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান মনে করেছিল, এই আন্দোলনে তারা আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। নিজেদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের উপায় হিসেবে তারা ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোট দেন, যা চার দিন পর সংঘটিত সহিংসতার তাৎক্ষণিক কারণ হয়ে ওঠে।


সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা প্রায় ১,৮০০ হলেও মানবাধিকার সংগঠন ও স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের মতে প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। তবুও নেলি গণহত্যা মূলধারার ভারতীয় গণমাধ্যম ও জনস্মৃতিতে প্রায় উপেক্ষিতই থেকে গেছে। হেমেন্দ্র নারায়ণের “২৫ ইয়ার্স অন… নেলি স্টিল হন্টস” এবং মাকিকো কিমুরার “দ্য নেলি ম্যাসাকার্স ১৯৮৩” এই কয়েকটি গবেষণাই মূলত ঘটনাটিকে নথিবদ্ধ করেছে।

[ad3]

চার দশকের বেশি সময় পার হলেও নেলির নিহতদের পরিবার ও জীবিতরা এখনো ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়। নেলির স্মৃতি আজও মনে করিয়ে দেয়, রাজনৈতিক উত্তেজনা ও উগ্র-সাম্প্রদায়িক ঘৃণা কীভাবে অমানবিক ট্র্যাজেডিতে রূপ নিতে পারে।

[Labelbox label="আন্তর্জাতিক" limit="3" type="List"]

সোর্স: দ্য ক্যারাভান

[Labelbox label="মুসলিম নির্যাতন" limit="3" type="grid"]

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.