>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| স্টারলিঙ্ক ব্যবহার করেই ইসরায়েলে সাইবার হামলা ইরানী হ্যাকারদের |
ইরানের ইন্টারনেট শাটডাউন এবং গত প্রায় ৩০০ ঘণ্টা ধরে দেশজুড়ে চলা সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনায় এক নতুন মোড় এসেছে। স্টারলিঙ্ককে মনে করা হচ্ছিল ইরানি বিক্ষোভকারীদের জন্য বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগের একমাত্র আশা। কিন্তু রাশিয়ান স্যাটেলাইট-যোগাযোগ নিরোধক ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান সরকার সেই প্রচেষ্টাকে অনেকাংশেই রুখে দিয়েছে। তবে সবাই যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, তা নয়।
[ad1]
চেক পয়েন্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, যখন ইরানের ইন্টারনেট পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে আছে, ঠিক তখনই ইরানি হ্যাকাররা স্টারলিঙ্ক ব্যবহার করছে। এক সপ্তাহ নিরব থাকার পর দেখা যাচ্ছে যে, ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হ্যাকার গ্রুপ ‘হানদালা হ্যাক’ আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা এখন স্টারলিঙ্ক-এর আইপি রেঞ্জ ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সাইবার হামলা চালাচ্ছে।
[Labelbox label="Israel" limit="3" type="grid"]
হানদালা গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করে আসছে। স্টারলিঙ্কের সংযোগ ব্যবহার করে তাদের এই নতুন তৎপরতা অবাক করার মতো কিছু নয়, কারণ তারা মূলত অন্য কাজের জন্য তৈরি সংযোগগুলো হাইজ্যাক করে নতুন হামলা চালাচ্ছে।
[ad2]
সাইবার বিশেষজ্ঞ নারিমান ঘারিব, যিনি ইরানে স্টারলিঙ্ক-এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন, তিনি আগেই সতর্ক করেছিলেন যে জিপিএস স্পুফিংয়ের মাধ্যমে স্যাটেলাইট রিসিভারগুলোকে অকেজো করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘারিব বলেন, “এই হানদালা হ্যাকাররা আস্ত বোকা। একদিকে তাদের নিজেদের সরকার স্যাটেলাইট সিগন্যাল ব্যাহত করছে, আর অন্যদিকে তারা স্টারলিঙ্ক আইপি-র মাধ্যমে হামলা চালাচ্ছে।
[Labelbox label="Iran" limit="3" type="list"]
ঘারিবের মতে, হানদালার এই কর্মকাণ্ড ইরানি সরকারের জন্য একটি ‘অপারেশনাল সিকিউরিটি’ বিপর্যয়। তিনি আরও জানান: “গত ৮ জানুয়ারি থেকে চলা ব্ল্যাকআউটের সময় হানদালা গ্রুপটি চুপচাপ ছিল। কিন্তু এখন তারা স্টারলিঙ্ক আইপি (188.92.255.x) ব্যবহার করে ইসরায়েলি ও আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে পুনরায় হামলা শুরু করেছে।
[ad3]
স্টারলিঙ্ক ব্যবহারের ফলে তাদের ছাদের ওপর থাকা ডিশগুলো কার্যত তাদের সঠিক অবস্থান জানান দিচ্ছে। এর নিরাপত্তা গুরুত্ব অপরিসীম। ঠিক যেমন ৯৯% ইন্টারনেট শাটডাউনের সময়ও সরকারি সংস্থাগুলো অনলাইনে থেকে নিজেদের সাইবার অপরাধ ফাঁস করে দেয়, এখানেও তাই ঘটছে। এই তথ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সাইবার ইন্টেলিজেন্স হিসেবে কাজ করবে।
[Labelbox label="Tech" limit="4" type="grid"]
খবরসূত্রঃ দৈনিক ইনকিলাব