>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| হিন্দুদের কারণে ঢাবিতে সারাবছর গরুর মাংস রান্না বন্ধ, এখন ইফতারেও বাধা – ডাকসুসহ ঢাবি শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ |
সারাবছর হিন্দু শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন-হল ডাইনিং সহ দোকানগুলোতে গরুর মাংস রান্না হয় না। শুধুমাত্র রমাদান মাসের ইফতার মাহফিলগুলোতে রেওয়াজ রয়েছে একদিনের জন্য মুসলিম শিক্ষার্থীদেরকে গরুর গোশত খাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়। এবার অস্পষ্ট কারণে মুসলিম শিক্ষার্থীদের প্রতি এ করুণাটুকুও করা হচ্ছে না। তারই প্রতিবাদ করছেন ঢাবির মুসলিম শিক্ষার্থীরা।
[ad1]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী হলগুলোতে অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গরুর মাংস রান্না দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এসব হলে প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী গরুর মাংস খাওয়ার পক্ষে থাকলেও গুটিকয়েক সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীর আপত্তির কারণে বাঙালিদের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার থেকে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। অনেকেই এ পরিস্থিতিকে “অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক” বলে মন্তব্য করেছেন।
[ad2]
৪ই মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হল প্রশাসনের উদ্যোগে সবগুলো হলে ইফতার ও রাতের খাবারের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রাথমিক মেনুতে গরুর মাংস বাদ দিয়ে মুরগি রাখা হয়। এর প্রতিবাদে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সবাই ইফতার অনুষ্ঠান বয়কট করেন। পরবর্তীতে প্রশাসন দফায় দফায় বৈঠক করে গরুর মাংস অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা যায়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বছরে একবার গরুর মাংসের আয়োজন করতে গেলেও ২–১ জন উস্কানিমূলক পোস্টের মাধ্যমে বিরোধিতা করেন। এতে অধিকাংশ নারী শিক্ষার্থীর খাদ্যাধিকার ও ধর্মীয় অনুভূতিকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে ।
[ad3]
দাবিকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, সংখ্যালঘুদের অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে নীরব ছিলেন এবং নিজেদের পছন্দের খাবার থেকে বিরত থেকেছেন। কিন্তু বছরে মাত্র একদিন আয়োজনের ক্ষেত্রেও বাধা এলে সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।
তাদের প্রস্তাব, নারী হলগুলোর যেকোনো একটি ক্যান্টিন ‘বিফ-ফ্রি’ রাখা যেতে পারে, তবে বাকি ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—এমন একটি সমন্বিত সিদ্ধান্তই এখন সময়ের দাবি।
“অথচ তাদের কথা ভেবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর মেয়েদের হলগুলোতে সারা বছর গরুর মাংস রান্না করা হয় না।
গরু মাংস খাওয়া মুসলমানদের জন্য হালাল। এখানে ৯০% এরও বেশি মুসলিম আপু থাকেন, সনাতনী আপুদের কথা চিন্তা করে সারাবছরেই মুসলিম আপুরা গরু মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকেন।
রমজান মাসে একবারেই হল থেকে ইফতার দেওয়া হয়।সেক্ষেত্রে, সনাতনী আপুদের জন্য ইফতারে মুরগী অথবা খাসির মাংসের ব্যবস্থা থাকে, তাও সেটা আলাদা ক্যান্টিনে রান্না করা হয় এবং সনাতনী আপুরাই সেসব রান্না-বান্নার তদারকির দায়িত্বে থাকেন।
এমনকি রমজান মাসে মুসলিম আপুদের জন্য ক্যান্টিনে গরু মাংস রান্না হবে কি না,কোন ক্যান্টিনে রান্না হবে তারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সনাতনী আপুদেরই ভোটের মাধ্যমে।
আর এত কিছুর পরেও, এই হলো তাদের কিছু বিশিষ্ট ধর্মজ্ঞর কথাবার্তা!” – সিনথিয়া মেহরিন সকাল, জিএস, রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ সহ বিভিন্ন গ্রুপে মুসলিম শিক্ষার্থীরা এ বৈষম্যের প্রতিবাদ জানান।
[Labelbox label="Bangladesh" limit="4" type="grid"]