>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| ঈদ মিছিলের একাংশের চিত্র, যেখানে এক ব্যক্তিকে এলজিবিটি রঙের আদলে পোশাক পরতে এবং দুইজন ব্যক্তিকে ইউনিসেক্স উইগ পরতে দেখা যায়। |
গত শনিবার রাজধানী ঢাকাতে আয়োজিত বর্ণাঢ্য ঈদ মিছিলে দেখা গেছে সমকামিতার বিভিন্ন প্রতীক সংবলিত ব্যক্তিদেরকে। এ নিয়ে সচেতন মহলে দেখা গিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
[ad1]
ঈদুল ফিতরের দিন (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দান সংলগ্ন হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, শাহবাগ মোড় ঘুরে হোটেল ইন্টারকন্টিন্যান্টালের সামনে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ছিলেন এই আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তা।
[ad2]
আসিফ মাহমুদ ছাড়াও ঐ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক বর্তমান ও সাবেক নেতা। ছিলেন রিফাত রশিদ ও আব্দুল কাদেরও।
![]() |
| ঈদ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ, রিফাত রশিদ এবং আব্দুল কাদের |
এই মিছিলে কিছু ব্যক্তিদেরকে দেখা যায়, যারা রেইনবো আফ্রো ক্লাউন ইউনিসেক্স উইগ পরে ছিলেন। এই উইগ এলজিবিটি গোষ্ঠীর মাঝে বেশ জনপ্রিয়। ‘ইউনিসেক্স’ কথাটাই একটি এলজিবিটি ধারণাকে ধারণ করে। এটা দিয়ে এমন কিছু বুঝায়, যেখানে পুরুষ ও নারী দেখতে ও পোশাক পরতে একই রকম হয়।
[ad3]
ইউনিসেক্সের ধারণা মূলত প্রচলিত বাইনারি লিঙ্গীয় ধারণার বিপরীতে অবস্থান করে। ফলে এটিকে ট্রান্সজেন্ডারবান্ধব একটি ধারণা হিসেবেই গণ্য করা যায়। এছাড়াও প্রাইড কালার বা রংধনুর আদলে এক ব্যক্তিকে বিশেষ পোশাকও পরতে দেখা যায়।
একারণে সচেতন মহলে কিছুটা উদ্বেগের জন্ম হয়েছে। সমকামিতার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবৎ সোচ্চার থাকা ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, “ড ইউনুসের সময় ঈদ মিছিল, বিভিন্ন দিবসে অযাচিতভাবে এলজি সিম্বল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এবার ঈদেও সেই এলজি সিম্বল (ড্রেস ও পরচুলা) আনা হয়েছে।”
![]() |
| যেই উইগ পরতে দেখা যায় ছবিতে, সেটি ebay-তে এলজিবিটি উইগ হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে। |
কিন্তু এক শ্রেণির মানুষ এটাকে নিছক একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করছে। তাদের মতে, এখানে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে কিছু আনা হয়নি। তারা এটাকে ঈদের উৎসব হিসেবেই দেখতে চাচ্ছেন।
তবে এই ধারণার বিপরীতে দাঁড়িয়ে সরোয়ার হোসেন বলেন, “অন্য দেশেও এগুলো প্রচলিত। এটা বাংলাদেশের মুসলিমদের কোনো ঐতিহ্যের ধারেকাছেও নেই।” ঐ পোস্টে আরও বলা হয়, “যেকোনো ন্যাশনাল ইভেন্ট কিভাবে হবে তা নিয়ে অনেক পরিকল্পনা হয়। তাই ওগুলো কাকতালীয় নয়। কেউ কেউ না জেনে অবাক হচ্ছেন।”
![]() |
| ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেনের ফেসবুক পোস্ট |
এর আগেও যেহেতু ঈদসহ অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি বড় বড় অনুষ্ঠানে এমন এলজিবিটির চিহ্ন-প্রতীক দেখা গিয়েছে, তাই নেটিজেনদের একাংশের মধ্যে শক্তিশালী সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।
[Labelbox label="LGBTQ" limit="3" type="grid"]