>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| এপস্টেইন ফাইল থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ উধাও |
যৌন অপরাধী হিসেবে দণ্ডিত জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে প্রকাশিত কয়েক লাখ নথির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাক্ষাৎকার অনুপস্থিত—এমন দাবি তুলেছে মার্কিন গণমাধ্যম CNN। প্রকাশিত তালিকা ও ওয়েবসাইটে থাকা নথি মিলিয়ে দেখা গেলে দেখা যায়, এফবিআইয়ের নেওয়া বহু সাক্ষাৎকার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এসবের মধ্যে এমন এক নারীর তিনটি সাক্ষাৎকারও রয়েছে, যিনি অতীতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন।
[ad1]
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি এপস্টেইন–সংক্রান্ত বিপুল নথি প্রকাশ করে। সেখানে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে এফবিআইয়ের ৩২৫টি সাক্ষাৎকারের তালিকা ছিল, যা এপস্টেইনের সহযোগী Ghislaine Maxwell-এর আইনজীবীদের সরবরাহ করা প্রমাণপত্রের অংশ। তবে প্রকাশিত নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, অন্তত ৯০টির বেশি সাক্ষাৎকারের নথি অনুপস্থিত।
[ad2]
নিখোঁজ নথির মধ্যে থাকা এক নারী এফবিআইকে জানান, তিনি ১৩ বছর বয়স থেকে এপস্টেইনের দ্বারা বারবার নির্যাতনের শিকার হন। একইসঙ্গে তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১০ জুলাই—এপস্টেইন গ্রেপ্তারের কয়েকদিন পর—ওই নারী এফবিআই হটলাইনে ফোন করেন। পরে তাঁর আইনজীবীর কার্যালয়ে এফবিআই এজেন্টরা সাক্ষাৎকার নেন।
[Labelbox label="Bangladesh" limit="3" type="list"]
সাক্ষাৎকারের বিবরণী (ডকুমেন্ট নম্বর ৩০২) অনুযায়ী, দক্ষিণ ক্যারোলিনার একটি বাসায় শিশু দেখাশোনার কাজ করতে গিয়ে তিনি নির্যাতনের শিকার হন। তখন তাঁর বয়স ছিল আনুমানিক ১৩ বছর। এক পর্যায়ে তিনি এজেন্টদের ট্রাম্প ও এপস্টেইনের একটি ছবি দেখান। তাঁর আইনজীবী জানান, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশে ভুক্তভোগী আতঙ্কিত।
[ad3]
গত বছর (২০২৫) এফবিআইয়ের একটি প্রেজেন্টেশনে ‘বিশিষ্ট ব্যক্তিদের’ তালিকায় এক নারীর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত হয়। সেখানে বলা হয়, এপস্টেইনের পরিচয়ের সূত্রে ট্রাম্প ওই নারীকে যৌনকর্মে বাধ্য করেছিলেন এবং শারীরিকভাবে আঘাত করেছিলেন। ঘটনাটি ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, Robert Garcia—মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ওভারসাইট কমিটির শীর্ষস্থানীয় ডেমোক্র্যাট সদস্য—নথি প্রকাশের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সাক্ষাৎকারের নথি অনুপস্থিত থাকা উদ্বেগজনক।
অন্যদিকে ট্রাম্প বরাবরই এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
[Labelbox label="America" limit="3" type="grid"]