>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: আজ ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ |
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় ও কলঙ্কময় দিন। ২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তরে ঘটেছিল এক বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। আজ সেই নৃশংস ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকী, যা এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।
[ad1]
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে পিলখানা সদর দপ্তরে ‘বিডিআর সপ্তাহ’ উপলক্ষে বার্ষিক দরবার চলছিলো। তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে বিদ্রোহের নামে কিছু বিপথগামী সদস্য অতর্কিত হামলা চালায়। এরপর প্রায় ৩৬ ঘণ্টা ধরে চলে এক নারকীয় তাণ্ডব ও রক্তক্ষয়ী হত্যাকাণ্ড।
[ad2]
এই নির্মম হত্যাযজ্ঞে প্রাণ হারান ৫৭ জন মেধাবী ও চৌকস সেনা কর্মকর্তা। এছাড়া নারী ও শিশুসহ আরও ১৭ জন বেসামরিক নাগরিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। সব মিলিয়ে ৭৪ জন মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল পিলখানার মাটি, যা দেশের ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
![]() |
| প্রাণ হারানো সেনা কর্মকর্তা – ২০০৯ |
পিলখানার সেই ক্ষত আজও দেশবাসীকে ব্যথিত করে। প্রতি বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ করা হয়। এই দিনে বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল এবং বিজিবির সকল স্থাপনায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মাধ্যমে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত বছর থেকে এই দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
[ad3]
দীর্ঘ ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও স্বজনহারা পরিবারগুলোর কান্না থামেনি। জাতি আজও এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন এবং দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছে।
[Labelbox label="Bangladesh" limit="3" type="grid"]