> দেড় দশক পুরনো নড়বড়ে সাঁকোই ভরসা, তাঁতেরকাঠিতে চরম জনদুর্ভোগ, ঝুঁকিতে শতশত শিক্ষার্থী - As-Sidq News
সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি এখানে দেখুন Follow Now!

রমজান

... ...
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
বাকি আছে
My Social Save Data, Connect Friends Login

দেড় দশক পুরনো নড়বড়ে সাঁকোই ভরসা, তাঁতেরকাঠিতে চরম জনদুর্ভোগ, ঝুঁকিতে শতশত শিক্ষার্থী

দেড় দশক পুরনো নড়বড়ে সাঁকোই ভরসা, তাঁতেরকাঠিতে চরম জনদুর্ভোগ, ঝুঁকিতে শতশত শিক্ষার্থী
Islamic dayeri
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

 

দেড় দশক পুরনো নড়বড়ে সাঁকোই ভরসা, তাঁতেরকাঠিতে চরম জনদুর্ভোগ, ঝুঁকিতে শতশত শিক্ষার্থী

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের তাঁতেরকাঠি এলাকায় প্রায় দেড় দশক ধরে একটি নড়বড়ে সাঁকোই হয়ে উঠেছে কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র চলাচলের পথ। সুপারি গাছ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো পার হয়েই প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি এলাকার মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে যান ঐতিহ্যবাহী নুরাইনপুর বাজারে। দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি এখন এলাকাবাসীর সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর অস্থায়ী কাঠামোর ওপর নির্ভর করে চলাচল করতে গিয়ে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সামান্য অসতর্কতায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে বলে দাবি স্থানীয়দের।

[ad1]

সাঁকোটির উত্তর পাশে নির্মাণাধীন রয়েছে একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—‘মারকাযুল উলুম মাদ্রাসা’। বর্তমানে সেখানে প্রায় তিন থেকে চারশ’ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিদিন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ছোট শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত বিপদজনক। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের হাত থেকে বই বা ব্যাগ পানিতে পড়ে যায়। তা তুলতে গিয়ে কেউ কেউ নিজেরাও পানিতে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মাওলানা ফজলুল করিম জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগে রয়েছেন। তিনি বলেন, “শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, অভিভাবকদের মধ্যেও প্রতিদিন এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করে। একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।”

[ad2]

নুরাইনপুর বাজারে অবস্থিত একটি কলেজ, একটি উচ্চ বিদ্যালয় এবং একটি আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও এই সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। ফলে প্রতিদিন শত শত ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়েই পারাপার করছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, সাঁকোর পরিবর্তে একটি কালভার্ট বা ছোট ব্রিজ নির্মাণের জন্য তারা বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি—মেম্বার, চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বিভিন্ন সময়ে আশ্বাস মিললেও বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

[ad3]

দীর্ঘদিনের ব্যর্থ চেষ্টার পর এলাকাবাসী এবার সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের আশা, তিনিই এ জনদুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।

[Labelbox label="Bangladesh" limit="3" type="grid"]

এলাকার প্রবীণরা বলছেন, একটি ছোট সেতু নির্মাণ হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে না, বরং শত শত শিক্ষার্থীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। এখন দেখার বিষয়—দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান কবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.