>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| দিলশানা পারুলকে প্রার্থী করে আদর্শিক সংকটে জামায়াত–এনসিপি জোট |
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির দাবিতে যাঁরা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন দিলশানা পারুল। সেই দিলশানা পারুলকেই এবার ঢাকা – ১৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যা জামায়াত – এনসিপি জোট রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
[ad1]
রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। একসময় জামায়াতবিরোধী আন্দোলনে প্রকাশ্য ও দৃশ্যমান অবস্থান নেওয়া একজন ব্যক্তিকে জামায়াত-সমর্থিত জোটের প্রার্থী করায় আদর্শিক অবস্থান, রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। স্থানীয় পর্যায়ে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও মতবিরোধ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
[Labelbox label="নির্বাচন" limit="3" type="grid"]
আলোচনায় থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ মত হলো, জামায়াতের বিরোধী পরিচিত কাউকে একই জোটের প্রার্থী করায় দলটির প্রতি মানুষের আস্থা ও আবেগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেক ভোটারের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে যে আদর্শিক অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে, এই প্রার্থীতা তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে এতে জামায়াতের প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা কমার ঝুঁকি রয়েছে বলেও মনে করছেন অনেকে।
[ad2]
তবে ভিন্ন মতও রয়েছে। একটি অংশ এটিকে বাস্তব রাজনৈতিক সমঝোতা হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, নির্বাচনী রাজনীতিতে সময়ের সঙ্গে অবস্থান বদলানো নতুন কিছু নয়, এবং জোট রাজনীতিতে কৌশলই অনেক সময় মুখ্য হয়ে ওঠে। তবুও মাঠপর্যায়ে যে বিভ্রান্তি, ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
[ad3]
[Labelbox label="জামায়াত" limit="3" type="grid"]
ঢাকা–১৯ আসনে দিলশানা পারুলের এই প্রার্থীতা এখন আর কেবল একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে সীমাবদ্ধ নেই। এটি জামায়াত -এনসিপি জোটের আদর্শিক অবস্থান, রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ভবিষ্যৎ জনসমর্থনের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, সেই প্রশ্নই ঘুরে ফিরে সামনে আসছে। আগামী দিনে প্রার্থীর ব্যাখ্যা ও জোটের আনুষ্ঠানিক অবস্থান এই বিতর্ককে কোন দিকে নিয়ে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
[Labelbox label="NCP" limit="3" type="grid"]