>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| হাসিনা সাজলে ক্ষতি নেই, হামাস সাজলেই সমস্যা! |
যশোরের একটি মাদ্রাসার যেমন খুশি তেমন সাজো, মঞ্চ অভিনয়ের অংশ হিসেবে মাদ্রাসার ছাত্ররা বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য গণহত্যার মূল দোষী ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দৃশ্যায়ন হিসেবে হামাসের ন্যায় পোশাক পরে অভিনয় করছিল।
.
কিন্তু দেখা গেলো দীর্ঘ দিন জঙ্গি নাটকের অভাবে থাকা মিডিয়া, কথিত সুশীল শ্রেণী এবং এমনকি প্রশাসন পর্যন্ত বহুদিনের অভুক্তের মত এই ঘটনা নিয়ে মেতে উঠলো! দীর্ঘদিনের নেশা, এত সহজে যাবার কথা না! কিন্তু বাস্তবতা মেনে নিয়ে তাদের আশাহত হতে হয়। নাটকের পরিচালকদের আজ তেমন সুদিন নেই, থাকলে হয়ত এই মাদ্রাসায় এতক্ষণে কমান্ডো অভিযান শুরু হত, হয়ত বড় বড় হেডলাইন আসত, -
"যশোরের জঙ্গি আস্তানায় কমান্ডো!"
"সর্বশেষ যা জানা গেলো যশোরের জঙ্গি আস্তানার ব্যাপারে"
মাদ্রাসার উপরে র্যাবের হেলিকপ্টার চক্কর দিত!
শীতের আমেজে বেশ জমত! কিন্তু জমেনি!
.
তবে আমাদের ফোকাস অন্য জায়গায়। আমরা বলতে চাচ্ছি - এটি বাংলাদেশের সিস্টেমের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে যাওয়া ইসলাম বিদ্বেষ! এখনো ইসলামের নামে জঙ্গি নাটক খেলার "দিল্লি নেশা!"
.
এ ব্যাপারে কিছু পয়েন্ট -
১। এটি যে একটি দৃশ্যায়ন ছিল বা অভিনয় ছিল তা বুঝার জন্য আইনস্টাইন হতে হয়না। তাহলে এটি কেন সারা দেশের সামনে এভাবে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করা হল!
২। নিউজে আসা ক্লিপ্সে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, কালো পোশাকের উপরে বুকের কাছে ফিলিস্তিনের পতাকার ব্যাজ তাহলে এরপরে ও তাদেরকে কেন i সিস এর সাথে তুলনা করা হল! এ ব্যাপারে ইসলাম বিদ্বেষী বাংলা ট্রিবিউনের শিরোনাম,
"‘অস্ত্র’ হাতে বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল, আসল ঘটনা কী"
অস্ত্র কে উদ্ধৃতি এর মধ্যে রেখেছে অর্থাৎ এটি কথিত, তারা নিজেরা এটি বলছেনা বা নিশ্চিত করেনি তাহলে "অস্ত্র সদৃশ বস্তু" বলাই অধিক যুক্তি সংগত ছিল, কেন তারা তা করলো না! এগুলোই হচ্ছে সাংবাদিকতার নোংরা অ্যাভিনিউ যা আমাদের জানতে হবে।
৩। হাতের বন্দুক সদৃশ যে বস্তু যে আসলে ককশিট এবং কার্ড বোর্ড/পারটেক্স বোর্ড দিয়ে বানানো খেলনা এটুকু বোঝার জন্য কি জব্দ করে থানায় নিয়ে গিয়ে প্রদর্শন করা জরুরি ছিল!
৪। যেই বাচ্চা গুলো তাদের অভিভাবকদের নির্দেশনায় মাজলুম ফিলিস্তিনের পক্ষে নিজেদের অবস্থান থেকে কিছু একটা করে দেখাতে চেয়েছিল তাদের উপরে যে মানসিক নির্যাতন করা হল এটি ইসলাম বিদ্বেষ ছাড়া আর কী হতে পারে!
৫। আগ্রাসী ইজরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়া হামাসের পাশে সারা দুনিয়া দাঁড়িয়েছে এমনকি এ দেশের সুশীলরা পর্যন্ত হামাসের ব্যাপারে সহানুভূতিশীল। এটুকু জানার পরেও কিভাবে তারা মাদ্রাসার ব্যাপারে এই বিকৃত, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ট্যাগ ব্যাবহার করতে পারে!
.
আমরা আবারো বলছি - এটি হচ্ছে "দিল্লি নেশার" ভয়াবহতা! নেশার জন্য এখন তারা পাগল! ফিলিস্তিনের মাজলুম, অসহায় অবস্থা দৃশ্যায়ন করা মাদ্রাসার বাচ্চাদের তারা নেশার ঘোরে
i সিস বানিয়ে দিচ্ছে! ককশিট/কার্ড বোর্ড দিয়ে বানানো খেলনাকে "অস্ত্র" বানিয়ে দিচ্ছে!
.
এটি কোন ছেলে খেলা নয়! এটি করেই তারা, এই মিডিয়া, হাজার হাজার পরিবার ধ্বংস করেছে! এখনো তাদের এই নেশার নাটকের বলি হয়ে অনেকে জেলের ভেতরে! এই নেশা অত্যন্ত জঘন্য নেশা! "দিল্লি নেশার" নেশায় পাগল হয়ে তারা বাংলাদেশে ইসলাম বিদ্বেষের কাঠামো তৈরি করেছে তিলে তিলে! আমাদের প্রত্যেকের এ ব্যাপারে সচেতন আওয়াজ উঠানো উচিত।
.
সিস্টেমেটিক এই ইসলাম বিদ্বেষের ব্যাপারে নিজেদের আত্মবিশ্বাসী এবং সবল অবস্থান নিয়ে আমাদের কোন সংশয় থাকা উচিত নয়।
------------
#ইসলাম_বিদ্বেষ
#IslamophobiaBD