>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| ~ আমরা কেন নির্যাতিত হই? ~ |
-
📍 আগস্টে, ফ্যাসিস্ট রেজিমের সেরা জঘন্য ব্যাক্তিটি সরে যাওয়ার সুফল হিসেবে এখনো আমরা যা দেখতে পাচ্ছি তা অকল্পনীয়! যে পুলিশের নির্যাতনে মানুষ রাতভর চোখের পানির সাথে অভিশাপ দিতে থাকত সেই মানুষ গুলো আজ পুলিশের চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করতে শিখেছে!
.
কত শত নির্যাতনের জঘন্য কাহিনী বেরিয়ে আসছে, সত্য প্রকাশ হচ্ছে, দুর্নীতি প্রকাশ হচ্ছে। এগুলো নিয়ে কথা হচ্ছে, আলোচনা হচ্ছে, সমালোচনা হচ্ছে। অনেকেই আরো একধাপ এগিয়ে নিজেদের জন্য ঝুঁকি স্বাধীন গবেষণা, অনুসন্ধান করছে! বিগত দশক গুলোতে যে ভাবে সত্যকে নির্যাতন করা হয়েছে আর চাপা দেয়া হয়েছে, মানুষ ভুলেই গিয়েছিল সত্যকেও অনুসন্ধান করা সম্ভব! খুঁজে বের করা সম্ভব। সত্য জানা প্রত্যেকের অধিকার! ইনসাফ দাবি করা অধিকার, এগুলো কোন এক্সট্রা সুবিধা নয়।
একের পর এক নাটক গুলোর স্ক্রিপ্ট বেরিয়ে আসছে, পরিচালক এবং কুশীলবদের জঘন্য মানসিকতা সবাই জানতে পারছে! রাতের আঁধারে কারা গুম করত, কারা নির্যাতন করত এগুলো একে একে সামনে আসছে!
আর এ সকল কিছুই হচ্ছে কেবল মাত্র - ফ্যাসিস্ট কাঠামোর সেরা জঘন্য ব্যাক্তিটি সরে যাওয়ার ফলে!
.
অপর দিকে এও সত্য যে,-
ছাত্র জনতার রক্ত বন্যার বিনিময়ে আমরা যে একটু সস্বাধীনতার সুবাস পেয়েছিলাম তা মিলিয়ে যেতে বেশি সময় লাগেনি। নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে এই যে, এখনো শহীদ পরিবার তাদের শোক কাটিয়ে উঠতে পারেন নি, এখনো আহতদের কাতর আর্তনাদে স্বজনদের দুনিয়া ভারি হয়ে আছে! এখনো তিলে তিলে আহতদের অনেকে পৃথিবী থেকে ছুটি নিচ্ছেন...
চোখের আলো নিভে যাচ্ছে...
অঙ্গ হানি হচ্ছে ...
.
আর এর কারণ হচ্ছে - ফ্যাসিস্ট সরে গেছে বটে তবে তার কাঠামো রয়ে গেছে।
.
একবার ভেবে দেখুন তো - কেবল মাত্র এক সেরা জঘন্য পালিয়ে যাবার কারণেই যদি এভাবে সত্য তার শক্তি ফিরে পায় তাহলে এই ফ্যাসিস্ট যে কাঠামোর ভিতরে থেকে টিকে থাকে সেই কাঠামোই যদি ভেঙ্গে পরে তাহলে কেমন হতে পারে!
.
প্রশ্ন করুন,-
👉আমরা কেন নির্যাতিত হই?
👉রুট কজ কী?