> সচিবালয়ে আগুন রুট কজ খুঁজুন! - As-Sidq News
সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি এখানে দেখুন Follow Now!

রমজান

... ...
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
বাকি আছে
My Social Save Data, Connect Friends Login

সচিবালয়ে আগুন রুট কজ খুঁজুন!

সচিবালয়ে আগুন রুট কজ খুঁজুন! আমরা জুলাইয়ের শত্রুদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে এবং তাদেরকে তাদের ডিজার্ভড ট্রিটমেন্ট দিতে ব্যার্থ হয়েছি!
Islamic dayeri
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

 

সচিবালয়ে আগুন রুট কজ খুঁজুন!

~ সচিবালয়ে আগুন - রুট কজ খুঁজুন! ~

-

📍 সচিবালয় দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা সমূহের একটি। সচিবালয়ের নিরাপত্তা প্রায়োরিটি প্রথম সারির। সেই সচিবালয়ের আগুন এটা কোন ছেলে খেলা নয়। 

.

স্যাবোটাজের খুব কার্যকরী একটি টুলস হচ্ছে আগুন। আগুনের সাইকোলজিক্যাল ইম্প্যাক্ট আছে। আগুনের সামনে মানুষ অসহায় বোধ করে। আগুন মানুষের মধ্যে প্যানিক তৈরি করে। অগ্নিকান্ড ঘটানো তুলনামূলক ভাবে অন্যান্য স্যাবোটাজ অপেক্ষা খুব সহজ। 


 

"অল দা প্রাইম মিনিস্টার্স মেন" এর সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের জানিয়েছেন,- 

.

অত্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশকে অকার্যকরী রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিশেষ একটি গোষ্ঠির যে সকল দুরভিসন্ধিমূলক পরিকল্পনা রয়েছে তা অনেকটা নিম্নরুপঃ 


১. হাইভ্যালু টার্গেট এসাসিনেশন। 

২. হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অগ্নিসংযোগ (কেপিআই সহ)। 

৩. ধর্মীয় স্থানে অতর্কিত হামলা। 

৪. সুউচ্চ ভবনে অগ্নিসংযোগ। 

৫. সরকারী স্থাপনায় হামলা। 

৬. রপ্তানিমুখী শিল্পের কনসাইনমেন্টে হামলা। 

৭. নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দ্রব্যমূল্যের প্রাইস স্যাবোটাজ করার লক্ষ্যে সাপ্লাইচেইনে আঘাত। 

৮. বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশন/দূতাবাসে বিদ্রোহ সংঘটন (মিশন/দূতাবাস কর্তৃক অন্তর্বর্তী সরকারের বিপরীতে প্রকাশ্য অবস্থান গ্রহণ)। 

৯. যে কোন উপায়ে সামরিক-আধা সামরিক বাহিনীর ভেতর উত্তেজনা সৃষ্টি। বাহিনীর সদস্যদের মাঝে গণহিস্টেরিয়া সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নেতিবাচক প্রচার। 

১০. একই সময়ে বিভিন্ন এলাকা/গ্রাম/উপজেলা/জেলায় বিশৃংখলা সৃষ্টি করে সেসব এলাকা দখলে নেয়ার চেষ্টা। 

১১. সাইবার আক্রমণ করে ওয়েব নির্ভর বিভিন্ন সেবা ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করা। অর্থনৈতিক ট্রানজাকশন অচল করে পুরো অর্থনীতি স্যাবোটাজ করা। 

১২. অর্থনৈতিক-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটতরাজ, ভাড়াটে ব্যক্তিদের সহায়তায় কৃত্রিম মবভায়োলেন্স সৃষ্টি। 


--


১ থকে ৫ পর্যন্ত অলরেডি অনুশীলন হচ্ছে। ৬ নং এর জন্য গ্রাউন্ড তৈরি হচ্ছে, যেমন হয়ত নিউজে দেখেছেন, "পাকিস্তান থেকে পন্য আনতে বাংলদেশকে বাধ্য করা হচ্ছে।" ৭ নং তো আমাদের অতি পরিচিত! ৮ থেকে ১২ সময়ের অপেক্ষা হয়ত!

.

হাসিনা পালানোর পর থেকে এই উপদেষ্টা সরকার বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। একের পর এক বিভিন্ন সহিংসতা, অস্থিরতা, স্যাবোটাজ চলমান আছে। একেক সময়ে একেক ঘটনা ঘটে আমরা সেটি নিয়ে কিছু সরব হই এর পরে আবার যেই সেই, ঘটনা একের পর ঘটতেই থাকে। এজন্য আমাদের রুট কজের দিকে লক্ষ্য দেয়া উচিত। কারণ, ঘটনা যত রকম ই ঘটুক না কেন, যে রুপেই ঘটুক না কেন সেগুলোর "রুট কজ" একই। এজন্য রুট কজ আইডেন্টিফাই করা, সমস্যা সমাধানের প্রথম ধাপ।  

.

🔹 এ ব্যাপারে আমাদের কিছু পর্যবেক্ষনঃ 


১। ফ্যাসিস্ট রেজিমের আমলে যে সিস্টেম বছরের পর বছর সময় নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এখনো সেই সিস্টেম ইন্ট্যাক্ট রয়েছে। 


২। আমরা জুলাইয়ের শত্রুদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে এবং তাদেরকে তাদের ডিজার্ভড ট্রিটমেন্ট দিতে ব্যার্থ হয়েছি! আপনি যখন দেখবেন শেখ হাসিনা চট করে ঢুকে যাবার কথা বলে যেখানে তার সমস্ত অপরাধ জনগণের সামনে উন্মুক্ত হচ্ছে; তখন আপনাকে বুঝে নিতে হবে এখানে অবশ্যই কিছু না কিছু অবশিষ্ট আছে। এখানে শুধু সরকার বা তার কাঠামো দায়ী এমন নয় বরং সামাজিক পরিমন্ডলে আমাদের ও দায় আছে। আমরা দেশের শত্রুদের শত্রু হিসেবে গ্রহণ করিনি! আমাদের সন্তানদের বুকে যারা গুলি চালিয়েছে আজ তারা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে! সোশ্যাল প্রেশার কোন বেআইনি কাজ নয়। আমরা সেই প্রেশার প্রয়োগ করতে ব্যার্থ হয়েছি!


৩। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আসলে বরাবরের মতই দেশ এবং জনগণের চিন্তা বাদ দিয়ে নিজেদের নোংরা স্বার্থ নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে উঠেছেন। দুর্নীতির ম্যাট্রিক্স ঠিক আগের মতই আছে কেবল মানুষ বদল হয়েছে। নিশ্চিত ভাবেই তারা আমাদের কিছুই দিতে পারবেনা। তারা ঠিক আগের দলের মতই আমাদের রক্তের বিনিময়ে নিজেদের স্বার্থ টিকিয়ে রাখবে। এটি আবেগ নয় এটি ফ্যাসিস্ট পালিয়ে যাবার মতই সত্যি!


৪। বিশেষ করে জুলাই শহীদ এবং আহতদের ব্যাপারে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতা জুলাই স্পিরিটকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। মনে করবেন না শত্রু এগুলো অবজার্ভ করেনা! প্রতিটি এস্যাসিনেশনের পরে তারা সরকারের রেসপন্স, রেসপন্স টাইম, রেসপন্স ম্যাগনিচিউড, রেসপন্স পারস্যু ফলো করে। 


৫। এই আন্দলনের প্রাণ ছিল ছাত্র জনতা। শত্রুর যে কোন বড় ধরণের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে এখনো এই ছাত্র জনতাই প্রধান ফ্যাক্টর। আপনি যখন এই ছাত্র জনতার মোরাল ভেঙ্গে দিতে পারবেন সেটা হবে শত্রু হিসেবে আপনার সবচেয়ে বড় অর্জন! এখুনি তারা বলছে, তোর স্বাধীনতা তুই ফেরত নে, আবার ভাই ফিরিয়ে দে ... ! 


৬। এমন আরো অনেক কিছুই আমাদের বলার আছে, কিন্তু আমাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে সাইবার বুলিং আইন!

.

আমরা বলতে চাই, - কেউ আমাদের কিছু এনে দিবেনা। কেন দিবেনা এটি অনেক লম্বা আলোচনা। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদেরকেই আমাদের অবস্থান ধরে রাখতে হবে। যে বিজয় শহীদদের রক্তের বিনিময়ে এসেছে সে বিজয় আমাদেরই ধরে রাখতে হবে। দেখুন, স্বাধীনতা অর্জনের পরে সেটাকে রক্ষা করাই কঠিন। আমাদের স্বাধীনতা আমাদেরকেই পাহারা দিতে হবে।

.

সজাগ থাকুন, প্রস্তুত থাকুন.. 


বিজয়ের স্বাদ হয়ত পেয়েছি, 

তবে এখনো তা অর্জিত হয়ত হয়নি। 

.

আমরা একবার পেরেছি...

আমারাই আবার পারব ইনশা আল্লাহ ...

তবে তা ফ্রি নয় নিশ্চিত! 

✊✊✊

--------------




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.