>
আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার করুন আমাদের সাথে।
![]() |
| কুমিল্লার এক গ্রামে পরকীয়ায় কট, মিডিয়ায় 'সংখ্যালঘু নারীকে ধর্ষন' হিসেবে উপস্থাপন |
ভাইরাল ধর্ষণ হেডিংয়ের ঘটনাটির আসল তথ্য পাওয়া যায় MATE এর ফ্যাকাল্টি এবং ঐ এলাকার বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম হিমেলের বর্ণনা হতে, তিনি লিখেছেন,
"কুমিল্লার মুরাদনগরে একটা হিন্দু মেয়েকে ধ*র্ষণ করে উল*ঙ্গ ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দিয়েছে, এই মর্মে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়ে রাজনীতির রঙ মাখিয়ে তা ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার বাড়ি কুমিল্লা ও মুরাদনগরের পাশে হওয়ায় ঘটনার ভেতরে ঢুকতে ঢুকতে আসল খবর পেলাম। আর ঘটনা আরো দুইদিন আগের। রফাদফা না হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমের এই ভাইরাল করে দিছে এক 'ধরাপক্ষ'।
এটার সাথে বিএনপির রাজনীতি বা অন্য দলের এমন কিছু নেই। ঘটনা হচ্ছে, এই ছেলেমেয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, আর তাদের ঘনিষ্ঠ হবার সময়ে কিছু ছেলে এসে হাতেনাতে ধরে। আর ছেলে মানুষ যেহেতু রাজনীতি করে,তার ঘনিষ্ঠ হবার ঘটনাকে ধ*র্ষণ হিসাবে চালিয়ে দিচ্ছে এক শ্রেনীর রাজনীতির ফায়দা নেয়া মানুষ! গ্রামে এইসব বিষয়কে সুযোগ হিসাবে নেয় এক শ্রেনীর মানুষ। তাই কারো সাথে ব্যক্তিগত দ্বন্দ বা রেশ থাকলে এই উসিলায় তাদের সম্মান ধূলোয় মিশিয়ে দেয়ার প্রবনতা থাকে।"
কুমিল্লার মুরাদনগরে যা ঘটেছে আইনজীবী কামাল ফারাবীর বর্ণনায়,
"ভুক্তভোগী নারী ও কথিত পরকীয়া প্রেমিক দুজনে বহুদিন ধরেই পরকিয়ায় লিপ্ত। বাড়ির সকলে যখন পুজামন্ডপে পুজায় ব্যস্ত ছিলো তখন ওই নারী আর এই ছেলে ঘরের ভিতর শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়েছে। পুজা শেষে সকলে বাড়ি ফিরে এসে তাদেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দুজনকেই উত্তম মাধ্যম দেয়া হয়। ছেলেকেও ছেড়ে দেয়া হয়। পরদিন পরিবারের সদস্যরা নারীকে ধর্ষণ মামলার জন্য চাপ দেয়, নারীর স্বামী ওয়ার্নিং দেন- ধর্ষণ মামলা না করলে তাকে আর সংসারে রাখবে না।
হিন্দু পরিবারে একবার ডিভোর্স হলে নারীটার জীবন সেখানেই শেষ। এই ভয়ে ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
এই ঘটনাকে প্রথমে তিলকে তাল বানিয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন বলে প্রচার করতে থাকে।
কথিত পরকীয়া প্রেমিকের আসল পরিচয় এবার শুনেন
স্থানীয় একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে কথিত ধর্ষক আওয়ামিলীগের কর্মী।
শুধু তাই নয়, স্থানীয়দের অন্তত অর্ধশত মানুষ অভিযুক্ত ফজর আলী দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি ১১নং রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া খোকনের বডিগার্ড হিসেবেও পরিচিত, এই সাক্ষ্য দিয়েছে।"